Posts

Showing posts from January, 2021

মানুষ মারা গেলে চুলা জ্বালানো নিষেধ, কি বলে ইসলাম?

Image
  ইসলাম ধর্মের মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে আছে কুসংস্কার সহ নানান আজগুবি বিষয়, যেগুলো কখনো ইসলাম সমর্থন করেনা। তেমনি একটি কুসংস্কার হল, মানুষ মারা গেলে পাঁচ দিন বা তিন দিন কি চুলা জ্বালানো যায় না। এমন একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ। প্রশ্ন : মানুষ মারা গেলে পাঁচ দিন বা তিন দিন কি ওই বাড়িতে চুলা ধরানো যায় না? বলা হয় এখানে নাকি আত্মারা আসে। উত্তর : না, এগুলো কুসংস্কার। তিন দিন বা পাঁচ দিন আগুন জ্বালানো যাবে না, চুলা ধরানো যাবে না, আত্মার আগমন হবে ইত্যাদি ইত্যাদি এগুলো আমরা ভিন্ন সংস্কৃতি থেকে পেয়েছি।খুব কাছাকাছি একটা সংস্কৃতি আছে, যাঁরা মনে করে থাকেন এই আত্মাগুলো আশপাশে ঘোরাফেরা করে। এ ধরনের বক্তব্য আমরা অন্য সংস্কৃতি থেকে নিয়েছি। এটি ইসলামী সংস্কৃতির সঙ্গে সামান্যতম মিল নেই।ইসলাম এটি কোনোভাবেই অনুমোদন দেয়নি। -সূত্রঃ এনটিভি অনলাইন

আত্মীয়-স্বজন মারা গেলে কান্নাকাটি করা যাবে কি?

Image
  আমাদের সমাজে যদি কেউ মারা যান। তখন তার আত্মীয়-স্বজন হাউমাউ করে কেঁদে থাকেন। শুধু আমাদের দেশ নয়, পৃথিবীর সকল দেশের সকল মানুষই তার আত্মীয়-স্বজনদের জন্য কেঁদে থাকেন। কেউ কেউ আবার তিন-চারদিন বা আরও বেশি দিন কেঁদে থাকেন। আবার অনেক সময় যখন মৃত ব্যক্তির কথা মনে হয়, তখনই কাঁদেন। কিন্তু এ ব্যাপারে ইসলামের ব্যাখ্যা কী বলছে তা আপনি জানেন কি? নিচে হাদিসের আলোকে তা ব্যাখ্যা করা হলো- মাইয়্যেতের চেহারা খুলে দেখা, চুম্বন করা, তিন দিন পর্যন্ত কান্না করা জায়েয। জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, «لَمَّا قُتِلَ أَبِي جَعَلْتُ أَكْشِفُ الثَّوْبَ عَنْ وَجْهِهِ أَبْكِي، وَيَنْهَوْنِي عَنْهُ، وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَ يَنْهَانِي، فَجَعَلَتْ عَمَّتِي فَاطِمَةُ تَبْكِي، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَبْكِينَ أَوْ لاَ تَبْكِينَ مَا زَالَتِ المَلاَئِكَةُ تُظِلُّهُ بِأَجْنِحَتِهَا حَتَّى رَفَعْتُمُوهُ» “(উহুদ যুদ্ধে) আমার পিতা (আব্দুল্লাহ) শহীদ হয়ে গেলে আমি তার মুখমণ্ডল থেকে কাপড় সরিয়ে কাঁদতে লাগলাম। লোকেরা আমাকে নিষেধ করতে...

একটি বিস্ময়কর ইসলাম কবুলের ঘটনা!

Image
যুদ্ধের এক ময়দান। তখন মুসলমানদের সাথে কাফিরদের ভীষণ যুদ্ধ চলছে। হযরত আলী (রা) জনৈক বিপুল বলশালী শত্রুর সাথে যুদ্ধে মত্ত রয়েছেন। বহুক্ষণ যুদ্ধ চলার পর তাকে কাবু করে ভূপাতিত করলেন এবং তাকে আঘাত হানার জন্য তাঁর জুলফিকার উর্ধ্বে উত্তোলন করলেন। কিন্তু আঘাত হানার আগেই ভূপাতিত শত্রুটি তাঁর চেহারা মুবারকে থুথু নিক্ষেপ করলো। ক্রোধে হযরত আলীর চেহারা রক্তবর্ণ হয়ে উঠলো। মনে হলো, এই বুঝি তাঁর তরবারি শতগুণ বেশী শক্তি নিয়ে শত্রুকে খন্ড-বিখন্ড করে ফেলে। কিন্তু তা হলো না। যে তরবারিটি আঘাত হানার জন্য উর্ধ্বে উত্তোলিত হয়েছিল এবং যা বিদ্যুৎ গতিতে শত্রুর দেহ লক্ষ্য করে ছুটে যাচ্ছিল, তা থেমে গেল। শুধু থেমে গেল নয়, ধীরে ধীরে তা নীচে নেমে এল। পানি যেমন আগুনকে শীতল করে দেয়, তেমনিভাবে আলীর ক্রোধে লাল হয়ে যাওয়া মুখমন্ডলও শান্ত হয়ে পড়ল। হযরত আলীর এই আচরণে শত্রুটি বিস্ময় বিমূঢ়। যে তরবারি এসে তার দেহকে খন্ড-বিখন্ড করে ফেলার কথা, তা আবার কোষবদ্ধ হলো কোন কারণে? বিস্ময়ের ঘোরে শত্রুর মুখ থেকে কিছুক্ষণ কথা সরল না। এমন ঘটনা সে দেখেওনি, শোনেওনি কোনদিন। ধীরে ধীরে শত্রুটি মুখ খুলল। বলল, 'আমার মতো মহাশত্রুক...